মোখলেসুর রহমান
নূর হোসেন সুমন।
ময়মনসিংহ জেলা, গফরগাঁও উপজেলা পাগলা থানা মিনহাজের দাও এর কুবে মৃত্যুশয্যায় হাসপাতালে মোখলেসুর রহমান। জমি সীমানা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে
দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়ে আসছে।
টাঙ্গাবর ইউনিয়নের টাঙ্গাবর গ্রামের ডাকবাংলা মোড়ের উত্তর পাশে ফাজিল মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে এই ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার মৃিত শহীদুল্লাহর স্ত্রী ইয়াসমিন । মোখলেসুর রহমান এর শ্বশুরের সীমানার ভিতরে একটি গাছের ডাল রোপন করেছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে । মোখলেসুর রহমান ও তার স্ত্রী, ইয়াসমিন আক্তার কে গাছের ডাল লাগিয়েছন কেন বিষয়টি জিজ্ঞেস করতে গেলে ইয়াসমিন ভীষণভাবে তাদের উপরে ক্ষিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে তাদের দুপক্ষে হাতাহাতি হয়। বিষয়টি এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে তারা জানায়। শুক্রবার দিন বিষয়টা মীমাংসা করে দেবে বলেছে এলাকার কয়েকজন মাতবর। মোখলেসুর রহমান শুক্রবার সকালে প্রতিদিনের মতো কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হয় । মিনহাজ, তার মা, ভাই, বোন, বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়ির পাশে লুকিয়ে থাকে। মুখলেসুর রহমান মিনহাজদের বাড়ির পাশে আসতেই একেবারে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে এলোপাথারি মার দূর করতে থাকে। মিনহাজ অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। মুখলেসুর রহমান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে মুমূর্ষ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করে। টাঙ্গাবর গ্রামের মৃত ওসমান খা, ও শহীদুল্লাহ দুজন অনেক বছর ধরে একই সাথে বসবাস করে আসছে । তাদের দুই বাড়ির মাঝখান দিয়ে গিয়েছে বাড়ির সীমানা। মোখলেসুর রহমান মৃত ওসমান মিয়ার মেয়ের জামাই । শ্বশুরের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে ঘর বেঁধে বউ বাচ্চা সন্তান নিয়ে থাকে । মৃত শহীদুল্লাহর কয়েকজন ছেলে, স্ত্রী , মেয়ে মিলে মোখলেছুর রহমানের পরিবারের উপরে বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন করে আসছে এবং বাড়ির সীমানা নিয়ে ঝগড়া করে প্রতিনিয়ত। মোখলেসুর রহমান অতি সহজ সরল এবং খেটে খাওয়া একজন মানুষ পাড়া মহল্লায় গিয়ে গাছ কাটার কাজ করে যে টাকা পায় সে দিয়েই চালিয়ে নেয় তার সংসার । জীবিকার জন্য সকালে বেরিয়ে যায় সন্ধ্যা অথবা রাতরে বাড়ি ফিরে।
মৃত শহীদুল্লাহ পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় জামাই মোকলেসুর রহমানের পরিবারের উপর অত্যাচার নির্যাতন করে । সীমানার উপরে গাছের পড়ে থাকা পাতা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়াই এটাকে কেন্দ্র করে মি্ৃত শহীদুল্লাহ মাস্টারের পরিবার, স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার, মিম, রুমা, এদের উপর ভিষন ভাবে ক্ষিপ্ত হয় ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসে। শুক্রবার পাগলা থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে । এই বিষয়ে মিনহাজ এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে মিনহাজ জানাই তাকে গালমন্দ করেছে কিন্তু মাথায় আঘাত করে নাই সে এমনটা জানিয়েছে । এলাকার সূত্রে জানা যায় মিনহাজ ও তার পরিবারেই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। বাড়ির পাশের লোকজনের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় মিনহাজ নামের ছেলেটা জামাই মুখলেসুর রহমানের মাথায় আঘাত করে আমরা শুনেছি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।
Leave a Reply